প্রতিনিধি ২৩ জুলাই ২০২৬ , ২:৫৫:৪৫ প্রিন্ট সংস্করণ
বগুড়ায় স্বেচ্ছাসেবক দলের এক কর্মীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার চাচাতো ভাই ও সহযোগীদের বিরুদ্ধে।
আজ বৃহস্পতিবার ভোররাতে সদর উপজেলার চালিতাবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, নিহত আতিকুর রহমান সাগর (৩৫) সদর উপজেলার শাখারিয়া ইউনিয়নের পাঁচবাড়িয়া গ্রামের শাহাদত মণ্ডলের ছেলে। তিনি সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সক্রিয় কর্মী এবং শাখারিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা, মাদক ও অস্ত্রসহ বিভিন্ন অভিযোগে ৬টি মামলা রয়েছে।
এছাড়া পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সাগর স্ত্রী মারজিয়া খাতুনকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি চালিতাবাড়ি গ্রামে বসবাস করতেন। বুধবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে পরিবারের সদস্যরা ঘরে খাবার খাচ্ছিলেন। এ সময় সাগর বাড়ির উঠানে ছিলেন। হঠাৎ করে বাইরে চিৎকার শুনে মারজিয়া খাতুন ঘর থেকে বের হয়ে আসেন।
মারজিয়া খাতুনের অভিযোগ, সাগরের চাচাতো ভাই জুলহাস ও ইসমাইলের নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল টিনের গেট ভেঙে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে সাগরকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। একপর্যায়ে সাগর দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে রাত সাড়ে তিনটার দিকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ আলম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে শাপলা নামে এক নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
উল্লেখ্য, এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো মামলা করা হয়নি।















