প্রতিনিধি ১৫ জুন ২০২৬ , ১১:৩২:৫৯ প্রিন্ট সংস্করণ
অনেকের কাছেই বিষয়টি অজানা, আবার সঠিক জ্ঞান না থাকায় এ নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি ও তর্কেও জড়িয়ে পড়েন। মূলত মায়ের গর্ভ থেকে মৃত অবস্থায় প্রসব হওয়া শিশুর জানাজা, গোসল ও দাফনের বিধান শরিয়তের নির্দিষ্ট নীতির ওপর নির্ভর করে।
জীবিত জন্ম নিয়ে মারা গেলে
যদি কোনো শিশু জন্মের সময় জীবিত অবস্থায় পৃথিবীতে আসে, এমনকি সামান্য সময়ের জন্য হলেও, এরপর সে মারা যায় তাহলে তার জন্য সাধারণ মৃত ব্যক্তির মতোই বিধান প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ তাকে গোসল দিতে হবে, কাফন পরাতে হবে, জানাজার নামাজ আদায় করতে হবে এবং দাফন করতে হবে। এ অবস্থায় শিশুর নাম রাখাও সুন্নত হিসেবে বিবেচিত হয়।
গর্ভে মৃত অবস্থায় বের হলে
যদি শিশু মায়ের গর্ভেই মারা যায় এবং মৃত অবস্থায় তাকে বের করা হয়, তবে তার জন্য জানাজার নামাজ আদায় করা বাধ্যতামূলক নয়। তবে তাকে গোসল দিয়ে একটি পরিষ্কার কাপড়ে পেঁচিয়ে সম্মানসহ দাফন করা উত্তম। চাইলে স্বাভাবিক কাফনের নিয়ম অনুযায়ী তিনটি কাপড়েও কাফন দেওয়া যেতে পারে।
এ অবস্থায় শিশুর একটি নাম রাখা উত্তম বলে অনেক আলেম মত দিয়েছেন। একই বিধান প্রযোজ্য হয় এমন ভ্রূণ বা শিশুদের ক্ষেত্রেও, যাদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ স্পষ্টভাবে গঠিত হয়েছে, কিন্তু তারা মৃত অবস্থায় জন্ম নিয়েছে।
অপরিপূর্ণ ভ্রূণের ক্ষেত্রে
যদি গর্ভপাতের পর এমন কিছু বের হয় যা মানবসদৃশ নয় অর্থাৎ শুধু মাংসপিণ্ড বা অঙ্গহীন কিছু অংশ তাহলে সেটিকে আলাদা করে একটি কাপড়ে পেঁচিয়ে দাফন করে দেওয়া যথেষ্ট। এ ক্ষেত্রে জানাজা বা গোসলের প্রয়োজন নেই।




















