সারাদেশ

রংপুরের বাজারে শীতের সবজির সরবরাহ বেড়েছে, পেঁয়াজের দাম চড়া

  রংপুর প্রতিনিধি ১৪ নভেম্বর ২০২৫ , ৭:০৮:২৯ প্রিন্ট সংস্করণ

রংপুরের বাজারে পেঁয়াজের দাম এখনো চড়া। সিটি বাজারে পুরনো পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে কেজি ১১০–১২০ টাকায়, যা দুই সপ্তাহ আগেও ছিল ৭০–৮০ টাকা। এ অবস্থায় বাজারে আগাম নতুন পেঁয়াজ কলি আসতে শুরু করেছে—কেজি ৮০–১০০ টাকায়। পাইকারি বিক্রেতারা বলছেন, আগামী সপ্তাহে নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ উঠলেই বাজার স্থিতিশীল হবে।

পাইকারি ব্যবসায়ী মসিউর জানান, পাতা পেঁয়াজ কেজি ৫৫–৬০ টাকায় উঠেছে, তবে সরবরাহ কম। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে দেশের উৎপাদিত পেঁয়াজেই বাজার স্বাভাবিক হবে বলে আশা করেন তিনি।

এদিকে রংপুরে শীতের সবজির সরবরাহ বাড়ায় বাজারে স্বস্তি ফিরেছে। ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, শালগম ও নতুন বেগুনের দাম কমে এসেছে। ফুলকপি-বাঁধাকপি পাওয়া যাচ্ছে ৪০–৬০ টাকায়, মুলা ৪০–৬০, নতুন শিম ৮০–৯০, শালগম ৬০–৮০ এবং কাঁচা টমেটো ৮০–১০০ টাকায়। সরবরাহ বাড়ায় বেগুনের দামও নেমে এসেছে ৭০–৮০ টাকায়।

গ্রীষ্মের সবজির দামেও পতন ঘটেছে। পেঁপে এখন ২০–৩০ টাকা কেজি, পটল ৪০–৬০ টাকা, করলা ৬০–৭০ ও ঢেঁড়স ৫০–৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চালকুমড়া-লাউ মিলছে ৫০ টাকার মধ্যেই।

সবজির দাম কমায় ডিমের বাজারেও প্রভাব পড়েছে। এক মাস আগে ১৫০ টাকা ডজন দরে বিক্রি হলেও এখন তা নেমে এসেছে ১৩০–১৪০ টাকায়।

মুরগির বাজার স্থিতিশীল—ব্রয়লার ১৭০–১৮০, সোনালি ২৮০–৩২০ ও দেশি মুরগি ৪৮০–৫০০ টাকা কেজি। গরুর মাংস ৭২০–৭৫০ এবং ছাগলের মাংস ১০০০–১২০০ টাকা কেজিতে অপরিবর্তিত রয়েছে।

মাছের বাজারেও আগের দামের খুব বেশি পরিবর্তন নেই। রুই ৩০০–৩৮০, কাতল ৩০০–৫০০, পাঙাশ ১৫০–২০০, তেলাপিয়া ২০০–২৫০ এবং গুঁচি মাছ ৮০০–১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এর বিপরীতে মুদি বাজারে বেশিরভাগ পণ্যের দাম স্থিতিশীল রয়েছে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।

আরও খবর

Sponsered content