প্রতিনিধি ১৭ নভেম্বর ২০২৫ , ৮:১৯:৪৬ প্রিন্ট সংস্করণ
মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ সোমবার। দিনটি উপলক্ষে টাঙ্গাইলের সন্তোষে নানা রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে ব্যাপক কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
বাংলাদেশে বৈপ্লবিক রাজনীতির পথিকৃৎ, কৃষক-শ্রমিক অধিকার আন্দোলনের অগ্রদূত ও আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মওলানা ভাসানী ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর ঢাকার পিজি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। পরে তাকে টাঙ্গাইলের সন্তোষেই দাফন করা হয়। মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পৃথক বাণীতে তার রুহের মাগফেরাত কামনা করেছেন।
১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে জন্ম নেওয়া ভাসানী জীবনের দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করেন টাঙ্গাইলের সন্তোষে। কৈশোরে রাজনীতিতে জড়ানো এই নেতা বাংলা-আসাম প্রদেশ মুসলিম লীগের সভাপতি ছিলেন বহু বছর। ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট গঠনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। মুক্তিযুদ্ধকালে প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতিও ছিলেন তিনি।
মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ সোমবার সন্তোষে মওলানা ভাসানীর পরিবার, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মুরিদান-ভক্ত ও বিভিন্ন সংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ, মোনাজাত, মিলাদ মাহফিল, ওরস, কোরআন খতম এবং এতিম-দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণসহ বিভিন্ন আয়োজনের কর্মসূচি করেছে।
বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদেও পৃথক মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে গতকাল মওলানা ভাসানীর ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকীকে সামনে রেখে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে ‘প্রতিবাদের ভাষায় নৈতিকতা : মওলানা ভাসানী ও সমসাময়িক বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত আলোকচিত্রী ও লেখক নাসির আলী মামুন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মওলানা ভাসানী গবেষক সৈয়দ ইরফানুল বারীর কন্যা সৈয়দা উসতুআনা হান্নানা।
সেমিনারের স্বাগত বক্তব্য দেন উপ-কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. ফজলুল করিম।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল আজীম আখন্দ। আলোচনায় অংশ নেন লাইফ সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবু জুবাইর, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. নাজমুস সাদেকীনসহ শিক্ষক-গবেষকরা।
সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।




















