রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি ১৪ আগস্ট ২০২৬ , ১০:২৫:২৩ প্রিন্ট সংস্করণ
বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) নির্বাহী পরিচালক হিসেবে যোগদান করেছেন প্রতিষ্ঠানটির সেচ বিভাগের সাবেক প্রধান ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর আলম খান। এক বছরের জন্য নির্বাহী পরিচালক (গ্রেড-২) পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের পর তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
বিএমডিএ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন পর প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব একজন অভিজ্ঞ কর্মকর্তাকে নির্বাহী পরিচালক পদে দায়িত্ব দেওয়ায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে সন্তোষ ও প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিএমডিএর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মতে, অতীতে প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে নির্বাহী পরিচালক নিয়োগের ফলে প্রশাসনিক কার্যক্রম ও বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি ছিল। পরবর্তী সময়ে সরকারের অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের নির্দিষ্ট মেয়াদে নির্বাহী পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলেও প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদি কার্যক্রমে কাঙ্ক্ষিত গতি অনেক ক্ষেত্রে বজায় রাখা সম্ভব হয়নি।
এ কারণে দীর্ঘদিন ধরেই বিএমডিএর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবি ছিল, প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব দক্ষ ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে নির্বাহী পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হোক। এতে বরেন্দ্র অঞ্চলের সেচ, পানি ব্যবস্থাপনা, কৃষি উন্নয়নসহ চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের কার্যক্রম আরও কার্যকর ও গতিশীল হবে বলে তারা মনে করেন।
এরই ধারাবাহিকতায় বিএনপি সরকারের সময়ে বিএমডিএর সাবেক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ও সেচ বিভাগের প্রধান মো. জাহাঙ্গীর আলম খানকে এক বছরের জন্য নির্বাহী পরিচালক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিন বিএমডিএতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করা জাহাঙ্গীর আলম খানের প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, প্রকৌশল দক্ষতা ও উন্নয়নমুখী দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে নতুন গতি আনবে। বিশেষ করে বরেন্দ্র অঞ্চলের সেচব্যবস্থা সম্প্রসারণ, পানি ব্যবস্থাপনা, কৃষি উন্নয়ন এবং টেকসই অবকাঠামো নির্মাণে তাঁর নেতৃত্বে বিএমডিএ আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
তাঁর যোগদানের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে উল্লেখ করে বিএমডিএর একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী বলেন, নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞ ও দক্ষ কর্মকর্তার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাবে—এটাই তাদের প্রত্যাশা।





















