প্রতিনিধি ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ , ১২:৫২:৪৫ প্রিন্ট সংস্করণ
জুল কুন্দের তিন মিনিটের ব্যবধানে দুই হেডের গোলে জয়ের ধারায় ফিরেছে বার্সেলোনা। ক্যাম্প ন্যুতে মঙ্গলবার চ্যাম্পিয়নস লিগে আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্টকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে কাতালানরা। যা তাদের জন্য ছিল অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি জয়।
ক্লাব ব্রুগের সঙ্গে ড্র এবং চেলসির কাছে হারের পর বার্সেলোনা তাল খুঁজে পেতে ব্যর্থ ছিল। অবশেষে এই জয়ে তারা পয়েন্ট তালিকায় ১৪তম স্থানে উঠে আসে-১০ পয়েন্ট নিয়ে আরও কয়েকটি দলের সঙ্গে সমান অবস্থানে রয়েছে। শেষ ষোলোতে সরাসরি উঠতে হলে তাদের লক্ষ্য এখন প্রথম আটে জায়গা করে নেওয়া। ছয় ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে ফ্রাঙ্কফুর্ট আছে ৩০তম স্থানে।
২১তম মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে আনসগার কানাউফের গোলে এগিয়ে যায় ফ্রাঙ্কফুর্ট। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে কুন্দের দুই গোলেই ম্যাচ ঘুরিয়ে দেয় বার্সা।
৫০তম মিনিটে মার্কাস র্যাশফোর্ডের ক্রস থেকে বক্সের ভেতর থেকে প্রথম হেডে সমতা ফেরান ফরাসি ডিফেন্ডার। তিন মিনিট পর লামিন ইয়ামালের নিখুঁত ক্রসে আবারও মাথা ছুঁইয়ে জয়সূচক গোলটি করেন তিনি।
দুই বছর ছয় মাসের সংস্কারকাজ শেষে আংশিকভাবে পুনরায় চালু হওয়া ক্যাম্প ন্যুতে জমজমাট পরিবেশে ম্যাচটা শুরু থেকেই বল দখলে আধিপত্য দেখায় বার্সেলোনা।
নবম মিনিটে রবার্ট লেভানডফস্কি গোল পেলেও ভিএআরের কারণে অফসাইড ধরা পড়ে। এরপরই ফ্রাঙ্কফুর্ট সুযোগ কাজে লাগায়। ন্যাথানিয়েল ব্রাউনের দুর্দান্ত থ্রু পাস ধরে কানাউফ আলেহান্দ্রো বালদেকে পেছনে ফেলে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে এগিয়ে দেন দলকে।
হ্যান্সি ফ্লিকের অধীনে চ্যাম্পিয়নস লিগে বার্সার রক্ষণভাগের দুর্বলতা আবারও ধরা পড়ে-টানা নয় ম্যাচে গোল হজম করেছে তারা, শেষ ১৩ ম্যাচে মাত্র চারবার ক্লিন শিট রেখেছে।
হাফটাইমের আগে সমতা ফেরানোর ভালো সুযোগ এসেছিল। ১৬ বছরের ইয়ামালের নিচু ক্রস থেকে ফেরমিন লোপেজ শট নিলে গোললাইন থেকে তা ঠেকিয়ে দেন প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডার। উল্টো বিরতির ঠিক আগে স্কিরির দূরপাল্লার শট অল্পের জন্য বাইরে যায়।
বিরতির পর কিছুটা তেড়ে আসে ফ্রাঙ্কফুর্ট, দু’বার গোল বাঁচাতে দারুণ সেভ করেন বার্সা গোলরক্ষক হোয়ান গার্সিয়া। সেটাই ম্যাচে টিকে থাকতে সাহায্য করে কাতালানদের।
এরপরই আসে কুন্দের জ্বলে ওঠা। প্রথমে র্যাশফোর্ডের ক্রসে হেড, তিন মিনিট পর ইয়ামালের দুর্দান্ত পাসে দ্বিতীয় হেড-দুটোতেই নিখুঁত ফিনিশিংয়ে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত ফ্রাঙ্কফুর্ট কাউন্টার থেকে কিছু চাপ দিলেও বার্সেলোনা আর হোঁচট খায়নি। কুন্দের দ্বিতীয়ার্ধের জোড়া গোলই শেষ পর্যন্ত এনে দেয় কাতালানদের চ্যাম্পিয়নস লিগ অভিযানে প্রয়োজনীয় উত্থান।




















