সারাদেশ

নীলফামারী-২ আসনে ফটোকপি মনোনয়ন জমার অভিযোগ

  নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ , ৮:৩৬:৩৫ প্রিন্ট সংস্করণ

নীলফামারী ০২ আসন: ফটোকপি মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার অভিযোগ বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে ; প্রতিবাদ জানিয়ে দাঁড়িপাল্লা ও হাতপাখা প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন

মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে নীলফামারী-২ (নীলফামারী সদর) আসনে বিএনপির এমপি প্রার্থী, সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ভাগ্নে ইঞ্জিনিয়ার শাহরীন ইসলাম চৌধুরী তুহিন ফটোকপি মনোনয়নপত্রের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিয়েছেন—এমন অভিযোগ উঠেছে।

এই অভিযোগের প্রতিবাদে সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেন ওই আসনের দাঁড়িপাল্লা ও হাতপাখা মার্কার প্রার্থীরা।

সংবাদ সম্মেলনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ও নীলফামারী জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আল ফারুখ আব্দুল লতিফ অভিযোগ করে বলেন,“বিষয়টি সম্পূর্ণ আইনবিরোধী। সন্ধ্যা ৬টা পার হয়ে গেলেও ধানের শীষের প্রার্থী এখন পর্যন্ত মনোনয়নপত্রের মূল কপি জমা দিতে পারেননি। অথচ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ফটোকপি মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেছেন।”

তিনি আরও বলেন,“ফটোকপি মনোনয়ন গ্রহণের বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা, নির্বাচন কর্মকর্তা ও এডিসি (জেনারেল)সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চাইলে তারা কোনো প্রশ্নের উত্তর দেননি। বরং নীরব থেকে ফটোকপি মনোনয়নপত্র গ্রহণের কাজেই ব্যস্ত ছিলেন।”

এ ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে অনাস্থা প্রকাশ করে তারা লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলেও জানান তিনি। প্রশাসনের এমন একপাক্ষিক আচরণে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হবে কি না, তা নিয়ে তারা শঙ্কা প্রকাশ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট হাছিদুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন,
“এখানে উপস্থিত আমরা দুজনই প্রার্থী এবং আইনজীবী। আমরা জানি, ফটোকপি মনোনয়নপত্র গ্রহণ করার কোনো আইনগত এখতিয়ার রিটার্নিং কর্মকর্তার নেই। অনতিবিলম্বে আজকের মধ্যেই এই মনোনয়ন বাতিল করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন,“আজ যদি এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে আমরা উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হবো। প্রশাসনের বর্তমান আচরণ দেখে সামনে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা যাবে কি না—তা নিয়ে আমি গভীরভাবে দ্বিধাগ্রস্ত।”

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসন বা রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে সংবাদ প্রকাশের সময় পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরও খবর

Sponsered content