আন্তর্জাতিক

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত অন্তত ১৫

  প্রতিনিধি ১৪ মে ২০২৬ , ৩:০৪:০৩ প্রিন্ট সংস্করণ

লেবাননজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে রাজধানী বৈরুত ও দক্ষিণ লেবাননের সংযোগকারী একটি প্রধান মহাসড়কে চালানো ড্রোন হামলায় দুই শিশুসহ আটজন প্রাণ হারিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার লেবাননের ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) এ তথ্য জানায়।

এনএনএ প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, বুধবার জিয়েহ এলাকায় হামলার পর মহাসড়কের ওপর একাধিক গাড়ি আগুনে পুড়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। বৈরুত থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত এই এলাকায় ইসরায়েলি তিনটি ড্রোন হামলা চালানো হয় বলে জানানো হয়েছে। হামলায় গাড়িগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সেগুলোর বাইরের অংশ পুড়ে যায়।

সংবাদসংস্থা আল জাজিরার এক প্রতিনিধি দক্ষিণ লেবাননের টায়ার শহর থেকে জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও সেখানে সংঘর্ষ ও হামলা ক্রমেই বেড়ে চলেছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে পরিস্থিতি এখনো অত্যন্ত উত্তপ্ত রয়েছে।

দক্ষিণ লেবাননের একটি অংশ বর্তমানে ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অন্যদিকে ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চল ও দখলকৃত সেনাদের অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ। সংগঠনটি যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য এই আলোচনার বিরোধিতা করেছে।

বুধবার ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দক্ষিণ লেবাননের ছয়টি গ্রামের বাসিন্দাদের অবিলম্বে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। সামরিক বাহিনী সতর্ক করে বলেছে, শিগগিরই ওই এলাকাগুলোর বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগ করা হবে। বাসিন্দাদের অন্তত এক কিলোমিটার দূরে খোলা জায়গায় সরে যেতে বলা হয়েছে এবং সেখানে থাকা ব্যক্তিদের জীবন ঝুঁকিতে পড়বে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

গত এক সপ্তাহ ধরে প্রায় প্রতিদিনই এমন নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে স্থানীয় মানবিক পরিস্থিতি আরও সংকটপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টায়ার অঞ্চলে মাত্র তিনটি হাসপাতাল কার্যকর রয়েছে। এই এলাকায় এখনও প্রায় এক লাখ মানুষ বসবাস করছে।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন শহরে ইসরায়েলি হামলায় ১৩ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুই স্বাস্থ্যকর্মী- হুসেইন জাবের ও আহমেদ নৌরা রয়েছেন।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, ১৭ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতির পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৫১২ জন নিহত হয়েছে। ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া বৃহত্তর সংঘাতের পর থেকে মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২,৮৯৬ জনে। একই সময়ে ইসরায়েলি হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞের কারণে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়েছে।

আরও খবর

Sponsered content

আরও খবর: আন্তর্জাতিক

ভূমিকম্পের পর ভেনেজুয়েলায় রহস্যময় রক্তিম আকাশ

ইরানে আবারও হামলার হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর

ক্রিপ্টো ব্যবসা থেকে ১ বছরে ট্রাম্পের আয় শতকোটি ডলার

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ড্রাম ট্রাকের ধাক্কায় হাফেজ মুফতি মাকছুদ আলম নামে মডেল মসজিদের এক খতিব নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার ভোরে উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের তোতা মিয়ার বাজার এলাকায় চেয়ারম্যানঘাট-সোনাপুর সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মাকছুদ আলম উপজেলার চরক্লার্ক ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের জনতা বাজার এলাকার নুরুল আলম সওদাগরের ছেলে। তিনি সুবর্ণচর উপজেলা মডেল মসজিদের খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোরে তিনি শ্বশুরবাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে উপজেলা মডেল মসজিদে ফজরের নামাজ পরিচালনার উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথিমধ্যে চরবাটা ইউনিয়নের তোতা মিয়ার বাজার এলাকায় মুক্তার ডুবাইওয়ালার বাড়ির সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বালুবাহী ড্রাম ট্রাক মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ভিড় করেন। পরে খবর পেয়ে চরজব্বার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল হাসান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মোটরসাইকেল থেকে পড়ে ঘটনাস্থলেই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে।

ভূমিকম্পের ৬ দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার ৩ বছরের শিশু

সিন্ধুর পানি নিয়ে ভারতকে কড়া হুঁশিয়ারি দিল পাকিস্তান