সারাদেশ

ফাঁকা চেক ও স্ট্যাম্প অপব্যবহারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন, তদন্ত দাবি সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের

  রাজশাহী প্রতিনিধি: ২৩ মে ২০২৬ , ১:৪৫:৪২ প্রিন্ট সংস্করণ

ধার নেওয়া টাকার বিপরীতে স্বাক্ষর করা ফাঁকা চেক ও স্ট্যাম্প অপব্যবহার করে একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন রাজশাহীর বাঘা উপজেলার দুইবারের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছা. ফাতেমা খাতুন লতা। একই সঙ্গে তার সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থান ক্ষুণ্ন করতে পরিকল্পিতভাবে চরিত্র হনন ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও করেছেন তিনি।

শনিবার (২৩ মে) সকাল ১১টায় রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাব কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন তিনি।

লিখিত বক্তব্যে ফাতেমা খাতুন লতা জানান, পারিবারিক ও আর্থিক সম্পর্কের সূত্র ধরে তার ভাজতি জামাই নুরুজ্জামানের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে কিছু অর্থ ধার নিয়েছিলেন। বিশেষ করে ২০২৩ সালের উপনির্বাচনের সময় নেওয়া অর্থ সুদসহ পরিশোধও করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি অভিযোগ করেন, টাকা পরিশোধের পরও নুরুজ্জামানের কিছু অনৈতিক দাবি ছিল। সে দাবিতে সাড়া না দেওয়ায় প্রতিহিংসাবশত তার কাছে থাকা স্বাক্ষর করা ফাঁকা চেক ও স্ট্যাম্প ব্যবহার করে বিপুল অঙ্কের চেক ডিজঅনার মামলা করা হয়েছে।

লতা দাবি করেন, ২০২১ সালে বাঘা পৌরসভায় চাকরি দেওয়ার কথা বলে নিলুফা ইয়াসমিন ও মামুন হোসেন নামের দুই ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নেন নুরুজ্জামান। পরবর্তীতে কৌশলে তাদের মাধ্যমে তার তিনটি ফাঁকা চেক ও একটি স্ট্যাম্প সংগ্রহ করা হয়। অথচ মামুন ও নিলুফা কখনও তাকে ব্যক্তিগতভাবে কোনো টাকা দেননি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বর্তমানে মামুন হোসেনের নামে ১৫ লাখ টাকা এবং নিলুফা ইয়াসমিনের নামে ২০ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান তিনি। এছাড়া নুরুজ্জামান নিজেও ২৫ লাখ টাকার আরেকটি মামলা করেছেন বলে অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, গত ২৬ বছর ধরে নুরুজ্জামানের পরিবারের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক ছিল। কিন্তু রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাকে একা ও দুর্বল ভেবে পরিকল্পিতভাবে বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।

তিনি দাবি করেন, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার জন্য একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও অতিরিক্ত অর্থ দাবির কারণে তা সফল হয়নি।

নিজেকে ষড়যন্ত্রের শিকার দাবি করে সাবেক এই জনপ্রতিনিধি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত নুরুজ্জামানের বক্তব্য প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।

আরও খবর

Sponsered content