আন্তর্জাতিক

এক দশক পর মিশরে শি জিনপিং

  প্রতিনিধি ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৩:০৪:৫৩ প্রিন্ট সংস্করণ

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন করে পর্যালোচনা করছে দেশগুলো। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই এক দশক পর মিশরে সফরে গেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। মঙ্গলবার কায়রো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি। বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

মিশরের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ফুটেজে দেখা যায়, শি ও সিসি দীর্ঘ লালগালিচা ধরে হাঁটছেন। এ সময় সারিবদ্ধ সেনাসদস্য, লোকজ নৃত্যশিল্পী এবং চীনের পতাকা হাতে তরুণরা তাদের স্বাগত জানান।

শির এই সফরের মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে চীনের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও সামরিক প্রভাবের বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ইরান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা অংশীদার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর কতটা নির্ভর করা যায়, তা নিয়েও আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে নতুন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

মিশরের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম গত এক সপ্তাহ ধরে চীনের সঙ্গে দেশটির অর্থনৈতিক ও সামরিক সম্পর্ক জোরদারের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরেছে। একই সঙ্গে চীনের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী প্রথম আরব ও আফ্রিকান দেশ হিসেবে মিসরের ৭০ বছরের ইতিহাসও সামনে আনা হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় সংবাদপত্র আল-আহরামে প্রকাশিত এক নিবন্ধে সিসি লিখেছেন, আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় বৈশ্বিক দক্ষিণের ভূমিকা শক্তিশালী করতে মিশর ও চীন একসঙ্গে অংশীদার হিসেবে কাজ করছে।

চলতি বছরে শির দ্বিতীয় বিদেশ সফরের দ্বিতীয় ধাপ এটি। এর আগে তিনি কিরগিজস্তানে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সম্মেলনে অংশ নেন। সেখানে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ায় প্রকাশিত এক মন্তব্যে শি মিশর ও চীনকে ‘ঘনিষ্ঠ ভাই’ হিসেবে উল্লেখ করেন। সাম্রাজ্যবাদ ও ঔপনিবেশিকতার বিরুদ্ধে দুই দেশ পরস্পরের পাশে দাঁড়িয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে দুই দেশের অংশীদারত্ব আরও গভীর করার প্রত্যাশা জানান।

 

আরও খবর

Sponsered content