প্রতিনিধি ২৩ এপ্রিল ২০২৫ , ৬:৫৫:৪৬ প্রিন্ট সংস্করণ
টেস্ট ইতিহাসে কখনোই ১৬২ রানের বেশি তাড়া করে জিততে পারেনি জিম্বাবুয়ে। তাই সিলেট টেস্টে বাংলাদেশকে হারাতে হলে রেকর্ড গড়তেই হতো সফরকারীদের। স্বাগতিকদের ১৭৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করে সেই রেকর্ডই গড়ল রোডেশিয়ানরা। মেহেদি হাসান মিরাজের ঘূর্ণি সামলে বাংলাদেশকে ৩ উইকেটের ব্যবধানে হারিয়ে দুই ম্যাচ সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল ক্রেইগ আরভিনের দল।
বাংলাদেশকে হারিয়ে সাদা পোশাকের ক্রিকেটে ৪ বছর পর জয়ের দেখা পেল জিম্বাবুয়ে। সবশেষ ২০২০-২১ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আফগানিস্তানকে হারিয়েছিল তারা। আর বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট জিতল দীর্ঘ ৭ বছর পর। সবশেষ ২০১৮ সালের নভেম্বরে এই সিলেটেই স্বাগতিকদের হারিয়েছিল সফরকারীরা। পরের তিন দেখায় তিনটিতেই জিতেছিল বাংলাদেশ।
পরে আরও তিন ব্যাটারকে হারায় জিম্বাবুয়ে। ক্রেইগ আরভিন ১০ রান এবং মায়াভো ১ রান এবং ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ১২ রান করে ফিরে যান। রিচার্ড এনগারাভাকে নিয়ে রোডেশিয়ানদের জয়ের বন্দরে পৌঁছান ওয়েসলি মাধেভেরে। মাধেভেরে ১৯ রানে এবং এনগারাভা ৪ রানে অপরাজিত থাকেন। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ বোলারদের মধ্যে মিরাজ ৫টি এবং তাইজুল ২টি উইকেট নেন।
এর আগে ৪ উইকেটে হারিয়ে ১৯৪ রান নিয়ে চতুর্থ দিনে ব্যাটিংয়ে নামে টাইগাররা, শুরুতেই নাজমুল হোসেন শান্তর উইকেট হারায় বাংলাদেশ। স্কোরবোর্ডে কোনো রান যোগ করার আগেই, ৬০ রান করা শান্ত মুজারাবানির পেসে কাটা পড়েন। এরপর জাকের আলির সঙ্গী হন মেহেদী হাসান মিরাজ। তবে মিরাজও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি।
মাত্র ১১ রান করে মুজারাবানির পঞ্চম শিকারে পরিণত হয়ে কাটা পড়েন এই অলরাউন্ডার। ফলে ২১০ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। জাকের আলী অনিক একাই লড়াই চালিয়ে যান। শেষ উইকেটে সঙ্গীহীন জাকের দ্রুত রান করার চেষ্টা করতে গিয়ে ৫৮ রান করে ফিরলে ২৫৫ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। মুজারাবানি একাই নেন ৬ উইকেট।
এর আগে, স্বাগতিকদের প্রথম ইনিংসে করা ১৯১ রানের জবাবে জিম্বাবুয়ে করেছিল ২৭৩ রান। এদিকে বাংলাদেশকে হারিয়ে চার বছর পর ক্রিকেটের মর্যাদাকর ফরম্যাটে জয়ের স্বাদ পেলো ক্রেইগ আরভিনের দল।




















