প্রতিনিধি ৭ আগস্ট ২০২৫ , ৩:০৮:৫৫ প্রিন্ট সংস্করণ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি বর্ণাঢ্য বিজয় র্যালি ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ আয়োজন করে। বুধবার দুপুরে শহরের উজির আলী হাইস্কুল মাঠ থেকে শুরু হয়ে র্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহ প্রদক্ষিণ করে চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকার স্বাধীন চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।
র্যালির নেতৃত্ব দেন ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ।
র্যালিতে বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।
র্যালির অন্যতম আকর্ষণ ছিল হিন্দু সম্প্রদায়ের চোখে পড়ার মতো সক্রিয় অংশগ্রহণ, যা সম্প্রীতির এক চিত্র ফুটিয়ে তোলে।
নেতাকর্মীরা হাতে রঙিন ব্যানার, ফেস্টুন ও বাদ্যযন্ত্র নিয়ে র্যালিকে উৎসবমুখর করে তোলেন। সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোকজন এসে উজির আলী হাইস্কুল মাঠে জড়ো হতে থাকেন, দুপুর নাগাদ মাঠটি কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে।
র্যালি শেষে স্বাধীন চত্বরে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন—
সমাবেশে সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ বলেন— “জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য রাজনৈতিক বাঁক। পৃথিবীর অন্যতম স্বৈরশাসক হাসিনার পতনের মধ্য দিয়ে এই দেশে উদিত হয় নতুন সূর্য। দুই হাজার মানুষের আত্মদানে লেখা হয় এক গৌরবময় অধ্যায়।”
তিনি আরও বলেন— “জুলাই আন্দোলনের স্টেকহোল্ডাররা ভিন্নমত পোষণ করলেও ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামে আমাদের অবস্থান অভিন্ন। গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে এককাট্টা হতে হবে।”
বক্তারা জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্রব্যবস্থা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
বিজয় র্যালি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয় এবং জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে আগামী কর্মসূচিতে বৃহত্তর অংশগ্রহণের আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।




















