প্রতিনিধি ২৯ আগস্ট ২০২৬ , ৪:২১:২৮ প্রিন্ট সংস্করণ
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে রাজ্যটির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই নির্দেশের পর কলকাতার হেস্টিংস থানায় মমতার বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা দায়ের করল পুলিশ। তার বিরুদ্ধে আদালতের একাধিক নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের খবরে বলা হয়, গতকাল শুক্রবার তৃণমূল কংগ্রেসের ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উলপক্ষে কালীঘাট তৃণমূলের তরফে ক্যাথিড্রাল রোডে কর্মসূচি পালিত হয়। সেই সভা করার জন্য একাধিক শর্ত বেধে দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্ট। সভায় দেড় হাজারের বেশি জমায়েত করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন আদালত। পাশাপাশি বলা হয়েছিল, সভার সময় সড়কেরে এক পাশ খোলা রাখতে হবে, যাতে যান চলাচল বিঘ্নিত না হয়। কিন্তু সেই নির্দেশ অমান্য করে সভায় বিপুল জনসমাগম হয়। এর ফলে ক্যাথিড্রাল রোডে পুরোপুরি রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়।
ক্যাথিড্রাল রোডের সভায় দেখা যায়, মমতার একবার ইশারা করতেই রাস্তার ওপারে গাছের নিচে থাকা লোকজন ব্যারিকেড ভেঙে হুড়মুড়িয়ে মঞ্চের কাছে চলে আসেন। এর জেরে রাস্তা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বাস, গাড়ি চলাচল থমকে যায়।
সেই ঘটনা প্রসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘দেখলেন তো আজকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হাইকোর্টের অর্ডার ভাঙলেন। রাস্তার একটি পাশ ছেড়ে করতে বলেছিল। একদম গাছের নিচে থাকা লোককে ডেকে রাস্তা বন্ধ করিয়ে কী করলেন! আমি পুলিশকে বলেছি এফআইআর রেজিস্টার করতে। আর ওনার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মুভ করতে। ছাড়া হবে না।’
শুভেন্দুর নির্দেশের পরেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। শুক্রবার সভার পরে শনিবারই মমতার বিরুদ্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করা হয়।
এ বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা এখন সরকারে নেই। আপনাদের কথা মতো সব চলবে না। রাষ্ট্রবাদী, জাতীয়তাবাদী সরকার চলবে। এখানে কোনো বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না।’
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়মামলাভারতপশ্চিমবঙ্গ





















