নাহিম মিয়া,সিলেট ২৯ আগস্ট ২০২৬ , ৮:৫৭:০৩ প্রিন্ট সংস্করণ
সিলেটে তরুণদের মেধা, প্রতিভা, জ্ঞান ও সৃজনশীলতার বিকাশ, নেতৃত্বের গুণাবলি তৈরি এবং মানবিক মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ইয়ুথ কনফ্লুয়েন্স ২০২৬’।
শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে নগরীর বন্দরবাজার এলাকার মধুবন সুপার মার্কেটের ড. রাগিব আলী মিলনায়তনে (সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাব) দিনব্যাপী এ আয়োজন করে হাফিজ সোসিয়াল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন।
‘জ্ঞান, অর্জন, সৃজনশীলতা, নেতৃত্ব ও সংস্কৃতি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সিলেটের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার তরুণ, শিক্ষার্থী, উদ্যোক্তা এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানটি দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক। উদ্বোধক ছিলেন সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন।
এ পর্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাফিজ সোসিয়াল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা মাওলানা ইনাম বিন সিদ্দিক, মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ মিসবাহ, উৎফল বড়ুয়া, প্রশান্ত লিটন ও মশিউর রহমান চৌধুরী।
দ্বিতীয় পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের চিফ ইঞ্জিনিয়ার আলী আকবর। বিশেষ অতিথি ছিলেন মাওলানা সাদিক সালিম, মুয়াজ্জেম বখত জেম ও ডা. আব্দুল্লাহ আল জাবেদ খান।
বক্তারা বলেন, সমৃদ্ধ ও সম্ভাবনাময় বাংলাদেশ গড়ে তুলতে তরুণদের দক্ষতা, সৃজনশীলতা, নেতৃত্বের গুণাবলি ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি প্রযুক্তি, শিক্ষা, সামাজিক নেতৃত্ব ও মানবিক কর্মকাণ্ডে তাদের আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তারা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হাফিজ সোসিয়াল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হাফিজ মাওলানা ছালিম আহমদ খান।
হাফিজ তায়্যিব হাসান রুতবা ও হাফিজ হাম্মাদ বীন আনিছ সরকারের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন আহসানুল হক রাতুল।
আয়োজনের বিশেষ আকর্ষণ ছিল অতিথি শিল্পীদের পরিবেশনা। এতে অংশ নেন মাহফুজুর রহমান মারুফ, মুশাহিদ আল বাহার, আলী হায়দার সিদ্দিকী, মোসাদ্দেক হোসাইন, আবিদুর রহমান খান, মনিরুল সাকিব, কামরুল ইসলাম নাঈম, নুরুল মুত্তাকিন ও আহমদ নাঈমসহ বিভিন্ন শিল্পী।
আয়োজকরা জানান, তরুণদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি, নেতৃত্বের বিকাশ, দক্ষতা অর্জন এবং সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে তাদের সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যেই এ আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও তরুণদের নিয়ে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।





















