মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ , ১২:৩৯:৪০ প্রিন্ট সংস্করণ
র্যাব-৯–এর অভিযানে হবিগঞ্জের মাধবপুরে স্কুলছাত্রী অপহরণ মামলার প্রধান আসামি সামিউল হক অনিক (২৫)–কে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই অভিযানে অপহৃত স্কুলছাত্রীকেও উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-৯, সিলেটের মিডিয়া অফিসার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ।
র্যাব জানায়, ভিকটিম মাধবপুর উপজেলার ইসলামাবাদ এলাকার বাসিন্দা এবং জগদীশপুর জে.সি হাই স্কুল এন্ড কলেজ–এর নবম শ্রেণির ছাত্রী। অভিযুক্ত সামিউল হক অনিক ভিকটিমের পাশের বাসায় স্ত্রীসহ ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন এবং বিভিন্ন সময় তাকে প্রেমের প্রস্তাব দেন। বিষয়টি ভিকটিমের পিতা জানতে পেরে বাধা দিলে অভিযুক্ত ক্ষিপ্ত হয়ে অপহরণের হুমকি দেন।
গত ১৮ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টায় স্কুলে যাওয়ার পর ভিকটিম বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরবর্তীতে জানা যায়, স্কুলে যাওয়ার পথে বাড়ির সামনে সড়ক থেকে সামিউল হক অনিক ও তার সহযোগীরা জোরপূর্বক একটি সিএনজিতে তুলে ভিকটিমকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে মাধবপুর থানা–এ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলার পরপরই র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯ এর শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্প–এর একটি দল বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টায় শায়েস্তাগঞ্জ থানাধীন ওলিপুর বাজার এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে মাধবপুর থানার মামলা নং–৩২ (তারিখ: ২৭/০১/২০২৬), ধারা: নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত/২০২৫) এর ৭/৩০ অনুযায়ী এজাহারনামীয় প্রধান পলাতক আসামি সামিউল হক অনিককে গ্রেপ্তার এবং ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামি সামিউল হক অনিক ধর্মঘর ইউনিয়নের মোহনপুর গ্রামের মো. আলাউদ্দিনের ছেলে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেপ্তারকৃত আসামি ও উদ্ধারকৃত ভিকটিমকে মাধবপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। র্যাব-৯ জানায়, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।




















