নিজস্ব প্রতিবেদক॥ ১৩ আগস্ট ২০২৫ , ১:৩৬:০০ প্রিন্ট সংস্করণ
আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাঙ্গুনিয়ার সাবেক ছাত্রলীগ নেতা হামিদ উল্লাহ দাপটের সঙ্গে রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। তবে বর্তমানে পলাতক অবস্থায় থেকেও তিনি সরকারবিরোধী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের চট্টগ্রাম রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি এই নেতা একসময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী হাসান মাহমুদের নির্দেশে ছাত্র-জনতার ওপর নির্যাতন চালানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
৫ আগস্টের আগে পর্যন্ত ছাত্রলীগের সঙ্গে তার সরাসরি সংযোগ স্বীকার করা হলেও সংগঠন নিষিদ্ধ হওয়ার পরেও তার প্রভাব কমেনি। সে সময় অনেক নেতা-কর্মী কারাগারে বা পলাতক থাকলেও হামিদ উল্লাহর দাপট অব্যাহত রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সরকার পতনের পর হামিদ উল্লাহ মালয়েশিয়ায় পলায়ন করেন। সেখানে থেকে সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী হাসান মাহমুদের অবৈধ অর্থ হুন্ডির মাধ্যমে দেশে এনে সরকারের বিরুদ্ধে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এছাড়া আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের মামলার আসামিদের জামিনে মুক্তি দেওয়ার জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অর্থের বিনিময়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের পুলিশি হয়রানি থেকে রক্ষা এবং আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার অভিযোগও তার বিরুদ্ধে উঠেছে। হামিদ উল্লাহর পুরো পরিবারই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত।
চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক বাবলু অভিযোগ করেছেন, সরকারবিরোধী তৎপরতা চালিয়ে এলাকার সন্ত্রাসিক কর্মকাণ্ডে জড়িত আছেন হামিদ উল্লাহ। তিনি কুখ্যাত সন্ত্রাসী আইয়ুবের সহযোগিতায় বালু, মদ, গাঁজা ও ইয়াবা ব্যবসা পরিচালনা করছেন। প্রতিবাদ করায় বাবলুকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দিয়েছেন হামিদ উল্লাহ।
এলাকার সাধারণ মানুষ ও বিএনপির নেতারা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের হামলাকারী এবং সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ এই সন্ত্রাসী হামিদ উল্লাহকে দ্রুত গ্রেফতার করার জন্য রাঙ্গুনিয়া উপজেলা প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।





















