প্রতিনিধি ২৮ জুলাই ২০২৫ , ১০:১৫:৪০ প্রিন্ট সংস্করণ
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী থানার এক বিধবা নারী ও তার কন্যারা ঘর নির্মাণ করতে গিয়ে স্থানীয় সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। চাঁদা না দেয়ায় নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং একাধিকবার হুমকি-ধামকির মুখে পড়েন তারা। রবিবার (২৭ জুলাই) বিষয়টি লিখিত অভিযোগ আকারে কুড়িগ্রাম সেনা ক্যাম্পে জমা দিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মৃত সফিকুল ইসলামের স্ত্রী নুরুনাহার বেওয়া দীর্ঘদিন ধরে স্বামীর মৃত্যুর পর তিন কন্যা সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ১৯৯৫সালে তার স্বামীর ক্রয় করা ৫ শতক জমিতে পরিবার নিয়ে বসবাস ও ব্যবসা পরিচালনা করতেন তারা। অভাব থেকে বাঁচতে ২০২৪ সালে পৌরসভার অনুমোদিত নকশার ভিত্তিতে উক্ত জমিতে পুরনো বাড়ি ভেঙ্গে নতুন ৫তলা ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেন। জমির মালিকানা দলিল ও অন্যান্য কাগজপত্র থাকার পরও স্থানীয় প্রভাবশালী জহরুল হক কামাল ,তার ছেলে ফাহিম সন্ত্রাসী দলবল সহ নির্মাণ কাজে বাধা প্রদান করেন। তারা নির্মাণকাজের জন্য চাঁদা দাবি করেন এবং চাঁদা না দেওয়ায় রবিবার (২৬ জুলাই) নির্মাণাধীন স্থানে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ করা হয় ।
এ সময় বাধা দিতে গেলে আহত হন নুরুনাহার ও তার কন্যা জান্নাতুল ফেরদৌস।

বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
নুরুনাহার বেওয়া বলেন, “আদালতের রায় আমাদের পক্ষে আছে, প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র আছে। তবু কিছু লোক চাঁদা দাবি করছে। আমরা প্রতিবাদ করায় আমাদের উপর হামলা চালানো হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, “ঘর নির্মাণের স্বপ্ন দেখেছি সন্তানদের মাথার ওপর ছাদ দেওয়ার জন্য, কিন্তু এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এজন্য সেনা কর্তৃপক্ষের কাছে সুবিচার প্রার্থনা করছি।”
সেনা ক্যাম্পে দেওয়া লিখিত অভিযোগে মৃত সফিকুল ইসলামের স্ত্রী নুরুনাহার বেগম এবং তার তিন কন্যা জান্নাতুল ফেরদৌস, শারমিন আক্তার এবং সুমাইয়া তাজনিম জিম স্বাক্ষর করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সেনা কর্তৃপক্ষ অভিযোগটি গ্রহণ করেছে বলে জানা গেছে।




















