জাতীয়

টাঙ্গাইলে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

  প্রতিনিধি ১৪ এপ্রিল ২০২৬ , ১১:০৯:২০ প্রিন্ট সংস্করণ

পহেলা বৈশাখে কৃষকদের জন্য নতুন উদ্যোগ ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করতে টাঙ্গাইল গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে সেখানে পৌঁছান তিনি।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর গুলশানের বাসভবন থেকে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর বের হয়। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীও রয়েছেন।

টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সদর উপজেলার সুরুজ এলাকার কৃষকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেবেন তারেক রহমান।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের বিভিন্ন প্রণোদনা, ভর্তুকি ও সরকারি সহায়তা সহজভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

সরকারের মতে, ‘কৃষক কার্ড’ চালুর মধ্য দিয়ে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে বর্তমান প্রশাসন। এর আগে ‘ফ্যামিলি কার্ড’, ‘ক্রীড়া কার্ড’ এবং খাল খনন কর্মসূচি চালু করা হয়েছে, যা বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক খাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।

কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, শুরুতে দেশের ১১টি কৃষি ব্লকে কর্মসূচির প্রাক-পাইলটিং পর্যায় বাস্তবায়ন করা হবে, যাতে ‘কৃষক কার্ড’ পাবেন ২০ হাজার ৬৭১ জন ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক। এ কার্ডের মাধ্যমে বছরে ২ হাজার ৫০০ টাকা নগদ সুবিধা পাবেন তারা।

এদিনই আরও ৯ স্থানে প্রাক-পাইলট কার্যক্রম শুরু হবে। যার মধ্যে রয়েছে-পঞ্চগড় সদরের কমলাপুর, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার উথলি, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার কৃপালপুর, পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার রাজাবাড়ি, কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার রাজারছড়া, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার তেনাপচা, মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ফুলতলা, পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার পাঁচপি এবং জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার গাইবান্ধা। আর কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার অরণ্যপুর কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে ১৭ এপ্রিল।

প্রাক-পাইলটিং কার্যক্রমের জন্য সরকারের ব্যয় হচ্ছে ৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। এ প্রাক-পাইলটিং শেষ হওয়ার পর দেশের ১৫টি উপজেলায় পাইলট কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, ‘পাইলটিংয়ের অভিজ্ঞতার আলোকে আগামী চার বছরে সারাদেশে এই কার্ড বিতরণ ও ডাটাবেজ তৈরির কাজ পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।’

কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশের সব কৃষককে পর্যায়ক্রমে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। তবে আর্থিক সুবিধা পাবেন কেবল ভূমিহীন, প্রান্তিক এবং ক্ষুদ্র কৃষক।

আরও খবর

Sponsered content