প্রতিনিধি ১৩ জুলাই ২০২৬ , ৯:৫৫:২৫ প্রিন্ট সংস্করণ
সংবিধান সংস্কার পরিষদ বাস্তবায়নের দাবিতে জাতীয় সংসদ অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধীদলীয় জোট। আজ সোমবার রাত ৯টার পর তারা ওয়াক আউট করে।
ওয়াকআউটের পর সংসদ ভবনে উপস্থিত সাংবাদিকদের জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি, আপনারা দুটি করে ভোট দিয়েছেন। এখন যারা সংসদে আছেন, তারাও দুটি করে ভোট দিয়েছেন। সবাই ব্যালট দুটি হাতে নিয়েছেন। তখন তো কেউ বলেনি যে আমি একটা ব্যালট নেব, আরেকটা নেব না। এখন যারা সরকারি দলে আছেন তারাও দুটি ব্যালট নিয়েছেন। আমরাও নিয়েছি, সাধারণ জনগণও নিয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘সরকারি দলের নেতা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সংসদ নেতা, তিনিও বলেছেন, ‘‘আপনারা, গণভোটে হ্যাঁ বলুন।’’ আমরাও জনগণকে বলেছি, ‘‘গণভোটে হ্যাঁ বলুন।’’ তারাও (সরকারি দল) ওয়াদা দিয়েছে, আমরা জয়ী হলে গণভোট বাস্তবায়ন করব। এই ‘‘হ্যাঁ’-এর দাবি অনুযায়ী, দুইটা শপথ নেওয়ার কথা। একটা সংসদ সদস্যের শপথ, আরেকটা সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ। আমরা বিরোধীদলের ৭৭ জন, সবাই আমরা দুটি শপথ নিয়েছি। কিন্তু সরকারি দল, তারা এ শপথ একটা নিয়েছেন, আরেক নেন নাই। তারা শুধু সংসদ সদস্যের শপথ নিয়েছেন। সে বিষয়গুলো আগেই আমরা আপনাদের সামনে পরিষ্কার করেছি।’
জামায়াত আমির, ‘জাতিকে দেওয়া ওয়াদা, তারা এখন যুক্ত করলেন সংবিধানের ভেতরে গণভোট কমিশন নাই। সংবিধানের মধ্যে যদি গণভোট কমিশন না থাকে তাহলে ২০২৬ সালে উপনির্বাচন নাই। সংবিধানে তো ২৬ সালে নির্বাচন হওয়ার কথা না, সেটা ২৯ সালে হওয়ার কথা। এটাও সংবিধানে ছিল না।’
তিনি বলেন, ‘জনগণের উইল হচ্ছে সুপ্রিম ল। জনগণ চেয়েছে, এই জন্য ফ্যাসিস্ট সরকার বিদায় নিয়েছে। কোনো সংবিধানের আলোকে ফ্যাসিস্ট সরকার বিদায় নেয় নাই। সেই সরকার যাওয়ার পরে জনগণের অভিপ্রায়ে একটি সরকার গঠন হয়েছিল। আর সেই সরকারের জারি করা নির্দেশের আলোকেই গণভোট ও সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখন গোস্ত হালাল, আর ঝোল হারাম। একটা যদি হালাল হয়, আরেকটা হারাম হয় কীভাবে?’





















