বিনোদন

‘তাদের আনন্দটা যেন থাকে’

  প্রতিনিধি ১৯ মে ২০২৬ , ১:১০:৪১ প্রিন্ট সংস্করণ

চলচ্চিত্রের অসচ্ছল সহশিল্পীদের মুখে হাসি ফোটাতে বেশ কয়েকবার এফডিসিতে কোরবানি দিয়েছিলেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমণি। তবে গেল কয়েক বছর ধরে সেই চিত্রটা ছিল ভিন্ন। শুরুতে বিএফডিসি কর্তৃপক্ষের নানা বিধিনিষেধের কারণে সেখানে কোরবানি দেওয়া হয়নি তার। এবারও এফডিসিতে কোরবানি দিচ্ছেন না পরীমণি।

তার কথায়, ‘আমি চাই এফডিসিতেও কোরবানিটা হোক। ২০১৬ সাল থেকে সবসময় কোরবানিটা এফডিসির সঙ্গে করেছি। এবার নিয়ে হয়তো ৪ বছর হয়ে গেল আমি এফডিসিতে কোরবানি দিচ্ছি না। এর নানা কারণ আছে, সেগুলো এখন পরিষ্কার। তবে আমি চাই আমার সহশিল্পীরা, যাদের অনেকেই দরিদ্র হিসেবে পরিচিত, তারাও যেন উৎসবমুখরভাবে ঈদ উদযাপন করতে পারেন। আমি থাকি আর না থাকি, তাদের আনন্দটা যেন থাকে।’

এদিকে, দীর্ঘদিন পর নিজ গ্রামে কোরবানি দেবেন পরী। এ সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে তার প্রয়াত নানার ইচ্ছা। নায়িকা বলেন, ‘আমার নানু ভাই সবসময় চাইতেন আমি বাড়ি গিয়ে পরিবারের সবার সঙ্গে ঈদ করি। নিজের হাতে কোরবানির মাংস সবাইকে বিলিয়ে দিই। প্রায় আট-নয় বছর শুধু এফডিসির জন্য বাড়িতে যাওয়া হয়নি। পরে মনে হয়েছে, এফডিসির দায়িত্বটা অন্য কেউ সামলাচ্ছে বলেই আমি দায়িত্বটা হ্যান্ডওভার করতে পেরেছি। এরপর থেকেই আবার গ্রামের বাড়িতে যাওয়া শুরু করি।’

সবশেষে ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার কথা জানিয়ে পরীমণি বলেন, ‘আমি জানি না কতটুকু কীভাবে করতে পারছি, তবে চেষ্টা করছি ঈদটাকে উৎসবমুখর করতে। ঈদ আনন্দ আর খুশির বার্তা নিয়ে আসে। আমি চাই সবার মুখে হাসি থাকুক, সবার অন্তরে আনন্দ থাকুক। আর কিছু চাওয়া নেই।’