সারাদেশ

ধর্ষণের ঘটনা চাপা দিতে কিশোরীকে হত্যা, গ্রেপ্তার ৫

  প্রতিনিধি ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ১:১২:০৪ প্রিন্ট সংস্করণ

নরসিংদীর মাধবদীতে ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে ধর্ষণের শিকার কিশোরীকে পরিকল্পিতভাবে বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গিয়ে হত্যার অভিযোগের ঘটনায় মামলা হয়।

আজ শুক্রবার সকাল পর্যন্ত মোট ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃংখলা বাহিনী ।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে নিহত কিশোরীর মা ফাহিমা বেগম বাদী হয়ে মাধবদী থানায় মামলা করেন। এরপর সকাল পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মোট ৫ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নরসিংদীর পুলিশ সুপার মো. আবদুল্লাহ্-আল-ফারুক বলেন, ‘শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক। বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে জেলা ও জেলার বাইরে অভিযান চলছে।’

প্রসঙ্গত, গত ১৫ দিন আগে নূরার নেতৃত্বে ৬ জন বখাটে নিহত কিশোরী আমেনাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। এই ঘটনায় স্থানীয় সাবেক মেম্বার আহম্মদ আলী দেওয়ান বিচার করার দায়িত্ব নেন। তবে অভিযোগ উঠেছে, তিনি অপরাধীদের সঙ্গে রফাদফা করে মোটা অংকের অর্থ আত্মসাৎ করেন এবং কোনো বিচার না করেই ঘটনাটি ধামাচাপা দেন। পাশাপাশি ধর্ষিতার পরিবারকে গ্রাম ছাড়তে চাপ প্রয়োগ করা হয়। ঘটনার বিচার না হওয়ায় অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। ১৫ দিন পর বখাটে চক্রটি কিশোরী আমেনাকে তার বাবার সামনে থেকেই ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে তাকে পুনরায় গণধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করে মহিষাশুরা ইউনিয়নের কোতালিরচর দড়িকান্দীর একটি সরিষা ক্ষেতে ফেলে রাখে।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন মহিষাসুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক মেস্বার আহম্মদ আলী দেওয়ান, তার ছেলে ইমরান দেওয়ান, ধর্ষক নূরার চাচাত ভাই মোহাম্মদ আইয়ুব এবং এবায়দুল্লাহ, হোসেন বাজার এলাকার গাফফার।

তবে, এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত নূরা এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে বলে জানা গেছে।

আরও খবর

Sponsered content