প্রতিনিধি ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ২:১২:৪৩ প্রিন্ট সংস্করণ
বন্ধুদেশগুলোর অনুরোধে পাকিস্তান সরকার সোমবার জাতীয় দলকে নির্দেশ দিয়েছে, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে নির্ধারিত আইসিসি পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামতে।
এই সিদ্ধান্ত নেন প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, যিনি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নকভির কাছ থেকে আইসিসি, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এবং পিসিবির মধ্যে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের আলোচনার ফলাফল সম্পর্কে অবহিত হন।
পাকিস্তান সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে পিসিবির কাছে পাঠানো আনুষ্ঠানিক অনুরোধ এবং শ্রীলংকা, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ অন্যান্য সদস্য দেশের সমর্থনসূচক যোগাযোগ পর্যালোচনা করেছে পাকিস্তান সরকার।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ক্রিকেটের চেতনা রক্ষা করা এবং অংশগ্রহণকারী সব দেশের মধ্যে এই বৈশ্বিক খেলাটির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তানের জনগণের পক্ষ থেকে জাতীয় দল ‘মেন ইন গ্রিন’–এর জন্য শুভকামনা জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা আত্মবিশ্বাসী যে আমাদের দল বিশ্বমঞ্চে সাফল্যের লক্ষ্যে মাঠে নামার সময় ক্রীড়াসুলভ মনোভাব ও জাতীয় গর্বের প্রতিনিধিত্ব করবে।’
এর আগে, নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ দেখিয়ে ভারতে যেতে অস্বীকৃতি জানানোয় বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেওয়া হলে, তাদের প্রতি সংহতি জানিয়ে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পাকিস্তান।
পাকিস্তানের ওই ঘোষণার পর পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে রোববার আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান লাহোরে যান। সেখানে পিসিবি চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিসিবি সভাপতি।
এদিকে, শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী কলম্বোতে ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়া নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কলম্বোতে বহুল প্রতীক্ষিত ভারত ও পাকিস্তান ম্যাচটি পরিকল্পনা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে—এতে আমি আনন্দিত।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘টুর্নামেন্টের সহ-আয়োজক হিসেবে শ্রীলঙ্কা আইসিসি এবং সংশ্লিষ্ট সবার প্রচেষ্টার জন্য কৃতজ্ঞ।’
১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপের প্রসঙ্গ টেনে শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘নিরাপত্তাজনিত কারণে যখন অন্যরা কলম্বোতে খেলতে আসেনি, তখন ভারত ও পাকিস্তান যে সংহতি দেখিয়েছিল, শ্রীলংকা তা কখনো ভুলে যায়নি।’











