হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: ১৩ জুন ২০২৬ , ৭:৫২:৫৮ প্রিন্ট সংস্করণ
সরকার ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন সম্প্রসারণের লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
শনিবার (১৩ জুন) উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং বন বিভাগের সহযোগিতায় রাণীশংকৈল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ ও উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন সড়কের দুই পাশে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ খাদিজা বেগম। এ সময় তিনি নিজ হাতে গাছের চারা রোপণ করেন এবং উপস্থিত সবাইকে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও তার পরিচর্যার দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মহসিন আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মনিরুজ্জামান মনি, পৌর প্রকৌশলী জাবেদ আলী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বেলাল উদ্দিন, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ফেরদৌস আলম মানিকসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক প্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশ্বব্যাপী পরিবেশগত সংকট দিন দিন তীব্র হচ্ছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং জীববৈচিত্র্যের ক্ষয়রোধে ব্যাপক বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। একটি গাছ শুধু পরিবেশকে সবুজ করে না, বরং অক্সিজেন সরবরাহ, মাটি সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ খাদিজা বেগম বলেন, “সরকারের ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সফল করতে সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে গাছগুলোকে বড় করে তুলতে হবে। পরিবেশ রক্ষায় প্রত্যেক নাগরিককে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ ও সড়কের পাশে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন। একই সঙ্গে সবুজ, পরিবেশবান্ধব ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।




















