ফ্যামিলি কার্ডের আদলে কৃষক কার্ডও সর্বজনীনভাবে প্রদান করা হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো দল-মত বা ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করা হবে না বললেন, সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এ জেড এম জাহিদ হোসেন -এমপি।
শনিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের হলরুমে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) আয়োজিত পানি সাশ্রয়ী সেচ প্রযুক্তি ও পলিশেডে উৎপাদিত ফসলের গুণগত মান রক্ষার কলাকৌশল বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের সময় আমরা হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কিংবা আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত বা জাতীয় পার্টি, কোনো কিছুই বিবেচনা করিনি। যারা উপযুক্ত, তারা সবাই কার্ড পেয়েছেন। একইভাবে কৃষক কার্ডও সর্বজনীন করা হবে।
তিনি আরও বলেন, আগামী ১ জুলাই থেকে সারাদেশে উপজেলা পর্যায়ে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা হবে, যাতে উপযুক্ত সকল নাগরিক এর আওতায় আসতে পারেন।
কৃষি খাতে সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, যশোর ও ঝিনাইদহে সফলভাবে ফুল উৎপাদন হচ্ছে। ফুল চাষ একটি লাভজনক খাত, তাই কৃষকদের এ দিকে আরও বেশি এগিয়ে আসা উচিত।
স্থানীয় পর্যটন সম্ভাবনার দিকেও গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, আশুরার বিল ও সিতাকোর্ট এলাকায় পরিকল্পিত উন্নয়ন করা গেলে অন্য এলাকার মানুষ আকৃষ্ট হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার চায় প্রান্তিক পর্যায়ের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ আর্থিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও স্বাবলম্বী হয়ে উঠুক। এ লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও কৃষি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।