প্রতিনিধি ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৬:১৭:৩০ প্রিন্ট সংস্করণ
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মুখে স্কচটেপ মারা অবস্থায় ইসমাইল হোসেনের লাশ উদ্ধারের হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার রাজ ক্লাসিক বাসের সুপারভাইজার সাজু লস্কার এবং সহকারী মাহবুব আলম মনির আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। অন্যদিকে একই বাসের চালক সোহেল রানার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম তালুকদার আসামি সাজু ও মনিরের স্বীকারোক্তি রেকর্ড এবং আসামি সোহেল রানার সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।
আজ রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর আসামি সাজুর এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছিদ্দীক আজাদ আসামি মনিরের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। আর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম আসামি সোহেলের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ৪ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ইসমাইল হোসেন জামালপুর থেকে গাজীপুরের বাসায় আসার জন্য রওনা দেন। এসময় গ্রামের বাড়ির জমি বিক্রির নগদ পাঁচ লাখ টাকা ও বিভিন্ন ধরনের খাদ্যদ্রব্য সঙ্গে নিয়ে বাসে ওঠেন। তার আসার খবরে ছেলে মো. হাসান গাজীপুর জিরানী বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষা করতে থাকেন। বাবার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর কল দিলে বন্ধ পান। পরে সকাল ১০টা পর্যন্ত জিরানী বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষা করে বাসায় চলে যান।
দুপুর ১২ টার দিকে ঢাকার বনানী থানা থেকে প্রতিবেশী মন্টুকে ফোন করে জানানো হয়, ইসমাইল হোসেনের মরদেহ পাওয়া গেছে। পরে মরদেহের ছবি দেখে বাবাকে শনাক্ত করেন ছেলে হাসান। তিনি জানতে পারেন, বনানী থানাধীন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাকলী থেকে কুড়িলগামী রাস্তার ১৭৯ ও ১৮০ নং পিলারের মধ্যবর্তী এক্সপ্রেসওয়েতে তার বাবা মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। কিন্তু সঙ্গে থাকা নগদ ৫ লাখ টাকা ও গ্রামের বাড়ি থেকে নিয়ে আসা কোনো মালামাল পায়নি। তার বাবার শরীরে জখমের চিহ্ন এবং নাক, মাথা ও ডান হাতের কব্জি সাদা স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো ছিল। এ ঘটনায় হাসান বাদী হয়ে গত ৪ সেপ্টেম্বরই বনানী থানায় হত্যা মামলা করেন।















