সারাদেশ

হিলিতে বাংলাদেশ-ভারত ব্যবসায়ীদের দ্বিপক্ষীয় মতবিনিময়

  মোঃ শাহ্ আলম মন্ডল, দিনাজপুর প্রতিনিধি ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ১১:৩৯:৫৫ প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা, হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণে যৌথ দ্বিপক্ষীয় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দিনাজপুরের হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এলাকায় হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার শ্রী মনোজ কুমার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. ফেরদৌস রহমান, সাধারণ সম্পাদক মো. শাহীনুর ইসলাম মণ্ডল, হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জর্জ মিত্র চাকমা এবং হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন।

এ সময় বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, আমদানি-রপ্তানিকারক, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন নতুন ক্ষেত্র সৃষ্টি হচ্ছে। হিলি স্থলবন্দরকে কেন্দ্র করে পরিচালিত আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম উভয় দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও সমন্বয় প্রয়োজন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার শ্রী মনোজ কুমার বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্যিক সম্পর্ক দিন দিন আরও শক্তিশালী হচ্ছে। সীমান্ত বাণিজ্যের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতা বাড়াতে হবে। যেকোনো যৌক্তিক সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে হবে।

হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর হিসেবে হিলির গুরুত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ী নেতাদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে ভারতীয় ভিসা প্রাপ্তি আরও সহজ করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সাধারণ সম্পাদক মো. শাহীনুর ইসলাম মণ্ডল বলেন, বন্দরের কার্যক্রম সহজ, স্বচ্ছ ও গতিশীল রাখতে দুই দেশের ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর মধ্যে নিয়মিত মতবিনিময় অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে বিদ্যমান সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধান সম্ভব।

সভায় অংশ নেওয়া ব্যবসায়ী নেতারা সীমান্ত বাণিজ্যের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

আরও খবর

Sponsered content