প্রতিনিধি ৩১ আগস্ট ২০২৬ , ৫:৪৪:০০ প্রিন্ট সংস্করণ
বাগেরহাটের কচুয়া ধোপাখালী এলাকায় একটি হিন্দু পরিবারের ভোগ দখলীয় জমি জোর করে দখলে নিয়েছে মাহাতাব মল্লিক নামের একজন কতিথ ভুমি দস্যু। ওই পরিবারের মৌখিকভাবে আশ্রয়ে থাকা পার্শ্ববর্ত্তি বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের বাদোখালী এলাকার মাহাতাব মল্লিক জমির মালিকানা না পেলেও জোরপুর্বক ওই জমিতে স্থাপনা নির্মান করে বসতি গড়ছে। পৈত্রিকভাবে ভোগ দখলীয় সম্পত্তি রক্ষা করতে স্থানীয়দের কাছে গিয়েও কোন প্রতিকার না পেয়ে ধোপাখালী এলাকার শম্ভু কুমার ভট্রাচার্য্য বাগেরহাট প্রসক্লাবে এসে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সোমবার দুপুরে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে শম্ভু কুমার ভট্রাচার্য্য লিখিত বক্তব্য এবং সংবাদ কর্মীদের নানা পশ্নের উত্তর দেন। এ সময় তার স্ত্রী ও সন্তানরা উপস্থিত ছিলেন। লিখিত বক্তব্যে শম্ভু কুমার ভট্রাচার্য্য বলেন আমরা হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ। আমাদের কে এলাকা থেকে বিতাড়িত করতে প্রান নাশের হুমকীসহ নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে পার্শ্ববর্ত্তি বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের বাদোখালী এলাকার মাহাতাব মল্লিক গংরা। আমার ও আমার পরিবারের অভিযোগ, বাদোখালী গ্রামের মৃত রহমান মল্লিকের ছেলে মাহাতাব মল্লিক দরিদ্র হওয়ায় আমার পিতা প্রয়াত শ্যামাপদ ভট্রাচার্য্য জীবিত অবস্থায় আমাদের জমির কিছু অংশে অস্থায়ী ভিত্তিতে মৌখিক ভাবে তাকে থাকতে দেন। অথচ, আশ্রয় নেয়া মাহাতাব মল্লিক আমার পিতার মৃত্যুর পর ওই জমি নিজের দাবী করে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। ষড়যন্ত্রের অংশ হিসাবে সে আমাদের জমির সীমানার পাশ্ববর্ত্তি বিভিন্ন দাগের ৩১ শতক খাস জমি ডিসিআর বরাদ্দ নেয়। অন্য দাগের জমি ডিসিআর নিয়ে কাগজপত্র করে আমাদের পৈত্রিক ২৪ শতক জমি ভোগ দখল করছে মাহাতাব মল্লিক। যার কোন বৈধতা নেই। বরং এ জমিতে মাহাতাব মল্লিক জোরপুর্বক বসতি স্থাপনা নির্মান করছেন। এ বিষয়ে বাধা বা কথা বলতে গেলে মাহাতাব মল্লিক গংরা আমাদের এদেশ ছেড়ে চলে যেতে বলেন। ২০২৪ এর আগষ্ট মাসের পর থেকে মাহাতাব মল্লিক প্রকাশ্যভাবে এ হুমকী-ধামকী দিয়ে আসছে। এতে আমার পরিবার ভীত সন্ত্রস্থ হয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে এ বিষয়টি এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের কাছে বলে তাদের পরামর্শ নিয়ে আমি বাগেরহাট অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বরাবরে ১৪৪ ধারায় মামলা করি। যা আবেদন অবস্থায় পড়ে আছে। এদিকে, আমাদের সম্পত্তিতে থাকা আমার স্বর্গীয় পিতার সমাধিস্থল (মট) ও শ্মশান উচ্ছেদসহ সেখানে উদ্দেশ্যমুলকভাবে মাহাতাব মল্লিক গংরা গরু-ছাগল চরায় এবং প্রতিনিয়ত ক্ষতি করছে। যখন যে রাজনৈতিক দল রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসে, সেই দলের লোকাল নেতা-কর্মীদের সাথে যোগসাজস করে মাহাতাব মল্লিক জোরপূর্বক আমাদের জমি ভোগ দখল করছে। এদেশে আমরা সংখ্যলঘু হওয়ায় এসব অন্যায়ের প্রতিবাদে বা আমাদের সহযোগীতায় কেহ এগিয়ে আসে না। তাই বর্তমানে আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় পড়েছি। হিন্দু সম্প্রদায়ের জমি কিভাবে দখলে নিয়েছেন জানার জন্য মাহাতাব মল্লিকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এ রিপোর্ট লেখার সময় তার বক্তব্য পাওয়া যায় নাই।





















