প্রতিনিধি ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ২:৩১:০২ প্রিন্ট সংস্করণ
লামিনে ইয়ামাল একটি গোল করেন এবং আরেকটি গোলে সহায়তা করেন। এর ফলে এলচের বিপক্ষে ৩-১ ব্যবধানে জিতে লা লিগার শীর্ষে নিজেদের লিড আরও বাড়াল বার্সেলোনা।
শনিবারের এই জয়ের মাধ্যমে ২২ ম্যাচে বার্সেলোনার পয়েন্ট দাঁড়াল ৫৫-রিয়াল মাদ্রিদের চেয়ে চার পয়েন্ট এগিয়ে তারা, যদিও রিয়ালের একটি ম্যাচ বাকি। অন্যদিকে, ২২ ম্যাচে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে এলচে রয়েছে ১২তম স্থানে।
ম্যাচের শুরুতেই অতিথি দলের হয়ে স্কোরিং খুলে দেন ইয়ামাল। তবে প্রথমার্ধের জমজমাট লড়াইয়ে এলচের হয়ে সমতা ফেরান আলভারো রদ্রিগেজ। দ্বিতীয়ার্ধে ফেরান তোরেস ও মার্কাস রাশফোর্ডের গোল বার্সেলোনার জয় নিশ্চিত করে। পুরো ম্যাচে ৩০টি শট নেওয়া বার্সার জন্য এটি ছিল কিছুটা অপচয়ের মাঝেও পাওয়া স্বস্তির জয়।
ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই বার্সেলোনা এগিয়ে যায়। দানি ওলমোর বাড়ানো বল পেয়ে গোলরক্ষক ইনাকি পেনাকে কাটিয়ে জাল খুঁজে নেন ১৮ বছর বয়সী ইয়ামাল—সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে যা ছিল তার মৌসুমের ১৩তম গোল।
প্রথমার্ধের মাঝামাঝিতে ওলমোর শট ক্রসবারে লেগে ফেরে। ঠিক এক মিনিট পরই সমতা ফেরায় এলচে। জার্মান ভালেরার থ্রু বল ধরে বার্সেলোনা ডিফেন্স ভেদ করে গোল করেন সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড আলভারো রদ্রিগেজ।
বার্সেলোনা আবার এগিয়ে যেতে পারত, কিন্তু ছয় গজের মধ্যে থেকে ফেরান তোরেস ক্রসবারে মারেন। রিবাউন্ড ফিরে পেলেও আবার পোস্টে বল লাগান—একই আক্রমণে দু’বার সুযোগ নষ্ট করে হাস্যকর এক দৃশ্য তৈরি হয়।
তবে ৪০ মিনিটে নিজের ভুল পুষিয়ে নেন তোরেস। ডি ইয়ং বক্সে জায়গা করে নিয়ে নিজে শট না নিয়ে বল কাটব্যাক করেন, যা থেকে ১৫ গজ দূর থেকে জোরালো শটে জাল কাঁপান তোরেস।
এরপরই ব্যবধান বাড়ানো উচিত ছিল বার্সার, কিন্তু ফারমিন লোপেজ ফাঁকা গোলের সামনে থেকে বল ক্রসবারের ওপর দিয়ে মারেন।
দ্বিতীয়ার্ধেও সুযোগ তৈরি করতে থাকে বার্সেলোনা। বদলি হিসেবে নামা রাশফোর্ড একবার একান্ত সুযোগ নষ্ট করেন, গোলরক্ষককে সামনে পেয়েও শট বাইরে মারেন। তবে ৭২ মিনিটে তিনি নিজের নাম লেখান স্কোরশিটে। ইয়ামালের নিচু ক্রস এলচে ডিফেন্স ক্লিয়ার করতে না পারলে কাছ থেকে বল জালে পাঠান ইংল্যান্ড ফরোয়ার্ড।








