স্টাফ রিপোর্টার ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ , ১০:৩৯:০৯ প্রিন্ট সংস্করণ
আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুফতি শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা.জি.আ.) বলেছেন, মানবজাতির প্রতি মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)–এর যে অপরিসীম অবদান রয়েছে, তার স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে ভালোবাসা উপহার দেওয়া প্রত্যেক মুমিনের ঈমানি দায়িত্ব। আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সা.)–এর ভালোবাসাকে জীবনের সর্বোচ্চ স্থানে স্থান দিতে হবে। কারণ রাসূলুল্লাহ (সা.)–এর প্রতি ভালোবাসা ঈমানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য অংশ।
তিনি বলেন, একজন পূর্ণাঙ্গ ঈমানদার মুসলিমের কর্তব্য হলো রাসূল (সা.)–কে নিজের জীবন থেকেও অধিক ভালোবাসা। তবে এই ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ অবশ্যই রাসূল (সা.)–এর অনুমোদিত এবং সাহাবায়ে কেরামের অনুসৃত পদ্ধতিতেই হতে হবে। ইসলামে কোনো ধরনের বাড়াবাড়ি কিংবা ছাড়াছাড়ির সুযোগ নেই।
গত ১৭ জানুয়ারি শনিবার রাতে পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার শহীদ জিয়া ময়দান (হাসপাতাল মাঠ) প্রাঙ্গণে উপজেলা জমইয়াতে হিযবুল্লাহর উদ্যোগে আয়োজিত ঈছালে ছাওয়াব মাহফিলে আখেরী মুনাজাতপূর্ব আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
পীর ছাহেব আরও বলেন, রাসূল (সা.)–এর প্রতি ভালোবাসার প্রকৃত স্বাদ অর্জিত হয় তাঁর জীবনাদর্শ, চরিত্র ও শিক্ষা অনুসরণের মাধ্যমে। ঈমানের শিক্ষাই মানুষকে পরিশুদ্ধ করে এবং তার যোগ্যতা ও সক্ষমতাকে সঠিক গন্তব্যের দিকে পরিচালিত করে। যেসব গুণাবলি ছাড়া মানুষ সভ্য ও সজ্জন হতে পারে না, সেসব গুণ অর্জন করাই একজন মুমিনের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।
মাহফিলে ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলীর ওপর আলোচনা করেন বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর নায়েবে আমীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মির্জা নূরুর রহমান বেগ, ছারছীনা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ রূহুল আমিন আফসারী, বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোঃ হেমায়েত বিন তৈয়্যেব এবং হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোহেব্বুল্লাহ আল মাহমুদ প্রমুখ।
পরিশেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সার্বিক কল্যাণ কামনা করে হযরত পীর ছাহেব কেবলা আখেরী মুনাজাত পরিচালনা করেন। এ সময় ‘আমীন, আমীন’ ধ্বনিতে ও ক্রন্দনের আবহে পুরো ময়দান ও আশপাশের এলাকা আবেগঘন পরিবেশে ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে।














